সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের আউরাইয়া জেলার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। বিয়েতে মালাবদলের সময়ে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যে সেই মুহূর্তেই বিয়ে করতে অস্বীকার করেন কনে।

বিয়েতে উপস্থিত আত্মীয়রা মেয়েটিকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। ভালো পরিবার থেকে সম্বন্ধ এলেও বিয়ের দিন পাত্রের কর্মকাণ্ড ও কনের জেদের কারণে শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায় বিয়েটি।

ঘটনাটি ঘটেছে আউরাইয়া জেলার বিধুনা কোতোয়ালির নবীন বস্তিতে। এ ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় সামনে আসার পর নেটিজেনরাও বিস্মিত। জয়মালা অনুষ্ঠানের সময়ে পাত্র অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে নিজের গলার মালাটি ছুড়ে দেন, এতেই রেগে আগুন কনে।

জানা গেছে, রোশনি নামে ঐ পাত্রীর বিয়ে ঠিক হয়েছিল কনৌজ জেলার বাহবলপুরের বাসিন্দা আকাশের সঙ্গে। বিয়ের দিন সব ধরনের আচার-অনুষ্ঠানও ঠিক মতো করা হয়। বিয়ের মণ্ডপ সাজানো, সানাইয়ের বন্দোবস্ত, সনাতন পদ্ধতিতে আচার-অনুষ্ঠান পালন কোনো কিছুর ঘাটতি ছিল না। কিন্তু জয়মালা অনুষ্ঠানের সময় পাত্রের কিছু ঘটনা নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে তার হাতে থাকা পাগড়ি ও মালা ছুড়ে ফেলে দেন। এতে বিস্মিত হয়ে পড়েন কনে পক্ষের লোকজন। তার পরই কনে সোচ্চারে ঘোষণা করেন এই বিয়েতে তিনি রাজি নন।

পাত্রীর অভিযোগ, ছেলের আচরণ এতটাই অদ্ভুত যে তার সঙ্গে বিয়ে করা সম্ভব নয়। বরের পক্ষ থেকে এ ঘটনা জানাজানি হলে পাত্র ঘটনার কথা অস্বীকার করেন।

আকাশ জানান, মন্ডপে ওঠার আগে তিনি খাবার খেতে গেলে সেখানে তাকে অপমান করা হয়। তবে মালা ছুড়ে ফেলার কথা তিনি অস্বীকার করেন। আকাশ জানান, তার শ্যালক ও ভাগ্নেও তার সঙ্গে ছিলেন। যদিও কনেপক্ষ এ কথা অস্বীকার করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *