ফরাসি বৈজ্ঞানিকরা বলেছেন, প্রাচীনতম বেড়ালের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল আজ থেকে সাড়ে নয় হাজার বছর আগে। প্রাচীন মিশরের বিভিন্ন শিল্পেও মেলে বেড়ালের সন্ধান। যে শিল্পগুলোর বয়স চার হাজার বছরের বেশি। এই বেড়ালের নানারকম স্বভাব আছে, যা রহস্যময়। আপাতভাবে দেখে যা বোঝা খুব মুশকিল। কীভাবে বুঝবেন? তা ছাড়া বেড়ালকে ঘিরে আছে অজস্র ইতিহাস, যা পড়লে চমকে উঠতে হয়।

সাধারণত একটি বেড়াল জীবনের বেশিরভাগ সময়টা ঘুমিয়ে কাটায়। কিন্তু মানব জীবনের অঙ্গ এই পোষ্যটিকে ঘিরে আছে নানারকমের ইতিহাস। শোনা যায়, আলাস্কার একটি শহরের মেয়র হিসাবে কাজ করেছিল একটি বেড়াল। সেই বেড়ালের নাম ছিল স্টাবস। প্রায় ২০ বছর তকতিনা নামের একটি শহরের মেয়র ছিল সে।

পৃথিবীর দীর্ঘতম বেড়ালের শরীর ছিল ৪৮ ইঞ্চি লম্বা। এই বেড়ালের নাম ছিল সুইটি। আর সবচেয়ে লম্বা বেড়ালের উচ্চতা ছিল ১৯ ইঞ্চি। পৃথিবীর ধনীতম বেড়ালের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৭০ লাখ পাউন্ড। সেই সম্পদের অধিকারী হিসেবে তার নাম উঠেছিল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে।

বিদেশে অনেক বাড়িতে থাকে ক্যাট ডোর। এ প্রথা আবিষ্কার করেছিলেন আইজ্যাক নিউটন। একদিন নিউটন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গবেষণার কাজ করছিলেন। তখন ক্রমাগত দরজার একটি বেড়াল আঁচড় কাটছিল। তিনি সেই সময়ে দরজার মধ্যে একটি ছোট্ট অংশ তৈরি করার কথা ভাবেন, যা দিয়ে বেড়াল ঢুকে পড়তে পারে ঘরে।

১৯৬৩ সালে প্রথমবার একটি বেড়ালকে মহাকাশে পাঠানো হয়। সেটিকে বলা হয় অ্যাস্ট্রোক্যাট। আরো আছে, পৃথিবীতে সবেচেয়ে বেশিদিন যে বেড়ালটি বেঁচেছিল, তার মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৩৮ বছর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *